ডেক্স রিপোর্ট
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ে কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করছেন রেজাউল করিম নামের একজন নিরাপত্তা প্রহরী। রেজাউল করিম উপজেলার বগা খাদ্য গুদামের নিরাপত্তা প্রহরী। দীর্ঘদিন থেকে তিনি উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ে খাদ্য পরিদর্শকের চেয়ারে বসে দায়িত্ব পালন করছেন। তার বিরুদ্ধে প্রকল্পের চালের ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ ও খাদ্যবান্ধব কর্মসূচীতে নাম অন্তর্ভুক্তির জন্য অর্থ আদায়সহ নানান অভিযোগ রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বগা খাদ্য গুদামের নিরাপত্তা প্রহরী উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ে বসে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, মেম্বার ও প্রকল্প কমিটির সভাপতির কাছ থেকে ডিও সংগ্রহ করেন। এরপর কালো বাজারে বিভিন্ন প্রকল্পের চাল বিক্রির সঙ্গে জড়িতদের সঙ্গে সমঝোতার মাধ্যমে ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক ইউপি সদস্য বলেন, রেজাউল করিম একজন নিরাপত্তা প্রহরী। তিনি উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ে বসে নিয়মিত দায়িত্ব পালন করছেন। অফিসে ডিও আনার জন্য গেলে রেজাউল করিম বলেন, ডিও আমার কাছে দিয়ে যান। চাল বিক্রির পর টাকা নিয়ে যাবেন। এভাবে উপজেলার শীর্ষ ৫ জন কালোবাজারির সঙ্গে সখ্যতা করে তিনি প্রকল্পের বরাদ্দকৃত চাল বিক্রি করছেন।
এদিকে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচীর সুবিধাভোগীর তালিকায় নাম অন্তুর্ভুক্তির জন্য রেজাউল নির্ধারিত অংকের অর্থ আদায় করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
অবশ্য এ বিষয়ে জানতে রেজাউল করিমের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।
বগা খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা স্বপ্না রানী মৃধা বলেন, আমার এখানে রেজাউল করিম নামে কোনো নিরাপত্তা প্রহরী আছে বলে জানা নেই। এরপর রেজাউল করিম বগা খাদ্য গুদামের নিরাপত্তা প্রহরী হিসেবে নিয়মিত বেতন নেওয়ার প্রমাণ উল্লেখ করার পর তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান।
এ বিষয়ে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মাহমুদুল হাসান সিকদার বলেন, আমি সদ্য যোগদান করেছি। নিরাপত্তা প্রহরী রেজাউল এখানে কিভাবে দায়িত্ব পালন করছেন তা জানা নেই। আমি জেনে শুনে আপনাকে নিশ্চিত করে বলতে পারবো।
