ঢাকাSaturday , 21 February 2026
  1. কলাপাড়া
  2. কুয়াকাটা
  3. গলাচিপা
  4. দশমিনা
  5. দুমকি
  6. প‌বিপ্রবি
  7. বাউফল
  8. মির্জাগঞ্জ
  9. রাঙ্গাবালী
  10. সদর
  11. সারাদেশ

বদরপুর দরবার শরীফের মাহফিল সমাপ্ত

adminptk112233
February 21, 2026 1:06 pm
Link Copied!

পটুয়াখালী প্রতিনিধিঃ
ঐতিহ্যবাহী বদরপুর দরবার শরীফ-এর তিন দিনব্যাপী ৮৬তম ইছালে ছওয়াব মাহফিল আখেরী মোনাজাতের মধ্য দিয়ে সমাপ্ত হয়েছে। ১৪ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া এ মাহফিল ১৭ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার বাদ ফজরের মোনাজাতে শেষ হয়। মাহফিলে দেশ-বিদেশ থেকে আগত লক্ষাধিক ভক্ত, জাকের ও আশেকান অংশ নেন।
পটুয়াখালী জেলার দাওয়াতুল ইসলাম বদরপুর দরবার শরীফ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ মাহফিলের উদ্বোধনী কার্যক্রম শুরু হয় শনিবার বাদ ফজর। কর্মসূচির মধ্যে ছিল— মরহুম পীর সাহেব কেবলাদ্বয়ের মাজার শরীফ জিয়ারত, তা’লিমী জলসা, হালকায়ে জিকির, পবিত্র কোরআন খতম, খতমে তাহলিল, খতমে খাজেগান, খতমে আম্বিয়া, খতমে গাউসিয়া শরীফ, মিলাদ মাহফিল, সালাতু সালাম, দুরুদ শরীফ ও ক্বেয়াম।
মাহফিলের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বর্তমান পীর সাহেব কেবলা আল্লামা মুফতী শাহ সাইয়্যেদ মুতাসিম বিল্লাহ রব্বানী বদরপুরী (মাঃজিঃআঃ)। এ সময় যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক থেকে লাইভের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে বক্তব্য দেন দরবার শরীফের মেঝ পীর সাহেব কেবলা আল্লামা মুফতী ড. সাইয়্যেদ মুতাওয়াক্কিল বিল্লাহ রব্বানী (মাঃজিঃআঃ)। উপস্থিত ছিলেন সেঝ পীর সাহেব কেবলা আল্লামা শাহ সাইয়্যেদ আরিফ বিল্লাহ রব্বানী (মাঃজিঃআঃ), ছোট পীর কেবলা আল্লামা মুফতী শাহ সাইয়্যেদ নাসির বিল্লাহ রব্বানী (মাঃজিঃআঃ) এবং মাহফিলের সভাপতি বিশিষ্ট ব্যবসায়ী হাজী সাইয়্যেদ নাজমুস সায়াদাত আখন্দসহ দেশ-বিদেশের খ্যাতিমান পীর, ওলামা-মাশায়েখ ও বক্তাগণ।
মাহফিলের দ্বিতীয় দিন বিভিন্ন তা’লিমী আলোচনা ও ওয়াজ নসিহত অনুষ্ঠিত হয়। তৃতীয় দিন দিনভর এবং সারারাতব্যাপী ধর্মীয় বয়ান, জিকির ও দোয়া মাহফিল চলে। শেষ দিনে বাদ ফজর আখেরী মোনাজাতে জুলাই আন্দোলনে শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা, দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া করা হয়।
আয়োজক সূত্রে জানা যায়, শতাধিক বছরের ঐতিহ্যবাহী এ দরবার শরীফের প্রতিষ্ঠাতা পীর নবী বংশের ৩৫তম আওলাদ কুতুবে বাঙ্গাল শাহসূফী হযরত মাওলানা সাইয়্যেদ উসমান গনী বদরপুরী (রহঃ)। তাঁর পূর্বসূরিরা উপমহাদেশে ইসলাম প্রচার ও সমাজ সংস্কারে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। পরবর্তীতে তাঁর বংশধরগণ মাদরাসা প্রতিষ্ঠা, মসজিদ গঠন এবং দ্বীনি শিক্ষার প্রসারে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেন।
আয়োজকরা বলেন, দরবার শরীফের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে যে দ্বীনি শিক্ষা, আধ্যাত্মিক চর্চা ও সমাজ সংস্কারের ধারা চালু আছে, তা ভবিষ্যতেও আরও বিস্তৃতভাবে অব্যাহত রাখতে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন।

কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।