পটুয়াখালীতে সেচ্ছাসেবকদল নেতাকে প্রাণনাশের হুমকীর অভিযোগ উঠেছে ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে। এ ব্যপারে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। গতকাল রাতে পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলায় এ ঘটনা ঘটে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে মির্জাগঞ্জ থানার ওসি আব্দুস সালাম জানিয়েছেন, “বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে আমলে নেওয়া হয়েছে।”
লিখিত অভিযোগে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মোঃ ইলিয়াস হোসেন উল্লেখ করেছেন যে, উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মোঃ নাজমুল মৃধার বাড়িতে স্যানিটারি কাজ করার জন্য গতকাল যাবার কথা ছিল ইলিয়াস হোসেনের চাচা স্যানিটারি মিস্ত্রি মোঃ ইউনুস সিকদারের। তবে অন্য একটি বাড়ির কাজ শেষ না হওয়ায় তিনি নির্ধারিত সময়ে সেখানে যেতে পারেননি।
যেকারণে বিকেল আনুমানিক ৫টা ৩০ মিনিটে নাজমুল মৃধা তার ব্যবহৃত মুঠোফোন থেকে ইউনুস সিকদারকে কল দিয়ে কাজে না যাওয়ার কারণ জানতে চান। এ সময় কথোপকথনের একপর্যায়ে তিনি ইউনুস সিকদারকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও হুমকি প্রদান করেন।
পরে বিষয়টি জানতে পেরে সন্ধ্যা আনুমানিক ৬টা ৪০ মিনিটে ইলিয়াস হোসেন নাজমুল মৃধাকে ফোন করে তার চাচাকে গালিগালাজ করার কারণ জানতে চান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে নাজমুল মৃধা তাকেও ফোনে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং দেখে নেওয়ার হুমকি দেন।
তার এমন আচরণ ও হুমকির কারণে ইলিয়াস হোসেন ও তার পরিবার বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। এ কারণে নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তিনি থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন।
জেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব জাকারিয়া আহমেদ জানান, নাজমুল ইসলাম মৃধার বিরুদ্ধে প্রমাণসহ লিখিত আকারে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের কাছে পাঠানো হয়েছে। পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ওসি আরো জানান, “অাবেদনটি জিডি হিসেবে গ্রহণ করে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”
