ডেক্স রিপোর্ট
পটুয়াখালীতে ব্যবসায়ী তুহিনকে বাসা ডেকে নিয়ে হত্যা করে নদীতে ফেলে দেয়ার ঘটনায় প্রধান আসামী আলআমিন ওরফে কসাই আলামিনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শুক্রবার রাতে সুনামগঞ্জের আত্মীয়ের বাসায় পলাতক থাকা অবস্থায় পটুয়াখালী সদর থানা পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে বলে মামলার তদন্তবারী কর্মকর্তা এসআই হাবিবুর রহমান নিষ্চিত করেন। তিনি জানান, আজ বিকালে আলআমিন ওরফে কসাই আলামিনকে আদালতের মাধ্যমে পটুয়াখালী কারাগারে পাঠানো হয়েছে। কেন কি কারণে কিভাবে তুহিনকে হত্যা করা হলো সেই তথ্য উদঘাটনের জন্য আগামীকাল আদালতের কাছে ৫দিনের রিমান্ডের আবেদন করা হবে। সদর থানার ওসি ইমতিয়াজ আহমেদ জানান, এ ঘটনায় মোট ৩জন আসামীর মধ্যে প্রধান আসামী ছিলেন কসাই আলামিন। তাকে রিমান্ডে এনে ব্যপক জিঙ্গাসাবাদ করা হলে তুহিন হত্যার প্রকৃত কারণ জানা যাবে। সূত্র জানায়, গ্রেফতারকৃত কসাই আলামিনের বিরুদ্ধে আরো একটি হত্যাসহ একাধিক মাদক মামলা রয়েছে, সেসব মামলায়ে দীর্ঘদিন কারাভোগের পর সম্প্রতি সে জামিনে বের হয়। প্রসঙ্গত, গত ২সেপ্টেম্বর নিখোজের ১দিন পর ব্যবসায়ী তুহিনের মৃতদেহ শহর সংলগ্ন লোহালিয়া নদী থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে পুলিশ। এরআগে কসাই আলামিন এবং সিডি আলামিন ব্যবসায়ী তুহিনকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে যায়। নিহত তুহিন সদর উপজেলার টাউন জৈনকাঠি এলাকার মোঃ কালাম হাওলাদারের ছেলে। ২নং বাধঘাট এলাকায় তুহিনের তেলের দোকানসহ মোটরসাইকেলের ওয়ার্কসপের দোকান রয়েছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে গত রবিবার সকালে পটুয়াখালীতে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছে নিহতের স্বজনসহ এলাকাবাসী।
